রেডিও স্টেশন বানিয়ে নজির গড়লো বিজয়গড় জ্যোতিষ রায় কলেজ

Spread the love

 দুবেলা, সৃষ্টি চক্রবর্ত্তী : নতুন এক উদ্যোগ নিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিল বিজয়গড় জ্যোতিষ রায় কলেজের সাংবাদিকতা ও গনজ্ঞাপন বিভাগের ছাত্র ছাত্রীরা। বিভাগের মাস্টারমশাই ও কয়েকজন ছাত্রছাত্রী মিলে বানিয়ে ফেললেন আস্ত একটি রেডিও স্টেশন। বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক আলোচনার পাশাপাশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়েও সেখানে চলছে আলোচনা। বেড়ে চলেছে তাদের শ্রোতাদের সংখ্যাও।

আরও পড়ুন : কলকাতা সহ বেশ কিছু জায়গায় শিলাবৃষ্টি

হাতে-কলমে এই কাজ করতে পেরে জ্ঞানের পরিধি বেড়ে চলেছে বিজয়গড় কলেজের সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের। সময়টা তখন ২০২০। করোনা অতিমারির ফলে সমস্ত স্কুল, কলেজ, অফিস বন্ধ। তখনই এই রেডিও স্টেশনটি তৈরি করে ফেলল বিজয়গড় কলেজের কিছু পড়ুয়া। সৌজন্যে ছিলেন বিজয়গড় জ্যোতিষ রায় কলেজের সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডঃ অর্ণব বন্দোপাধ্যায়। এই ভাবনার উৎস বিদেশের এই প্রকার এক রেডিও স্টেশন থেকে। ব্যক্তিগত স্তরে এই ধরনের রেডিও স্টেশন থাকলেও স্নাতক স্তরে এই ধরনের উদ্যোগ এই প্রথম। বিজয়গড় কলেজের এই সৃষ্টি স্বভাবতভাবেই এক নতুন নজির তৈরি করেছ।

আরও পড়ুন : মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে হাতাহাতি তৃণমূল ও সিপিএমের

ডঃ অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায় জানান রেডিও অ্যাপের মাধ্যমেই খোলা যাবে এই ইন্টারনেট রেডিও যা ২৪ ঘন্টাই চালু থাকে। শুধু পড়াশোনা ও সিলেবাস ভিত্তিক অনুষ্ঠানই নয় বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান ও শুনতে পাওয়া যায় এই রেডিও স্টেশনে। কিছু কথা কিছু গান, নাটক, গল্প পাঠ সমস্ত রকমের অনুষ্ঠানই শুনতে পাওয়া যায় এখানে। সাথে থাকে লাইভ ফোন ইন প্রোগ্রামও। এই সব অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়েই আরো উৎসাহিত হচ্ছে সকল ছাত্র-ছাত্রীরা। সাথে নতুন কিছু প্রতিনিয়ত শিখে চলেছে তারা। এই রেডিও অনুষ্ঠান ভারতসহ আরো ৯০ টি দেশে শুনতে পাওয়া যায়। আন্তর্জাতিক স্তরেও যথেষ্ট স্বিকৃতি লাভ করেছে তা বলাই বাহুল্য।

আরও পড়ুন : ট্রোল হলেন নুসরাত জাহান

পড়াশোনার পাশাপাশি এই প্রকার উদ্যোগ ছাত্র-ছাত্রী সহ সকল শিক্ষক শিক্ষিকাদেরও নতুন করে শেখার এবং জানার সুযোগ করে দেয়। রেডিওর ব্যাপারে শুধু পরীক্ষার জন্য পড়াই যথেষ্ট নয়, তা নিয়ে বাস্তবে চর্চা করাটাও প্রয়োজন। বিজয়গড় জ্যোতিষ রায় কলেজের এই উদ্যোগ শুধু ওই কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদেরই নয়, অনুপ্রাণিত করেছে আরো অন্যান্য কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদেরও নতুন কিছু করার জন্য।

আরও পড়ুন : ফুসফুসে চুম্বক, বাচ্চার জীবন বাঁচালো এসএসকেএম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *