নিজেস্ব সংবাদদাতা: পদ্ম শিবির ছেড়ে ঘাসফুলে ফিরেছিলেন মুকুল রায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ফের ঘাসফুলে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল রায়। এরপর তাঁকে সামনে রেখেই বিধানসভায় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ বিজেপির কাছে যাওয়া থেকে আটকানো হয়। এবার মুকুলকে নিয়ে বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এটা খুব স্মল ম্যাটার, সো উই ডোন্ট কেয়ার । বেটার টু ইগনোর। কে দিল্লি যাবে, না বম্বে যাবে, না পাঞ্জাব যাবে, সেটা একদমই তাঁর নিজস্ব অধিকার । উনি তো এখনও বিজেপিতেই আছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ওঁর ছেলে একটা মিসিং ডায়েরি করেছে । এখন কেউ যদি ডায়েরি করে যে আমার বাবা মিসিং, এজেন্সি ধরে নিয়ে গিয়েছে, তাহলে প্রশাসনের যা কাজ, তদন্ত করে দেখা, সত্যিই মিসিং কি না, তা প্রশাসন দেখছে। সেসব প্রশাসন প্রশাসনের মতো করবে।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ওর ছেলে এফআইআর করেছে । যেখানে তাঁর বাবাকে নিখোঁজ বলে জানিয়েছেন । এমনকি দুজন নাকি কোনও এজেন্সির মাধ্যমে নিয়ে গিয়েছে । তবে বিজেপি কি না তা বলতে পারব না। মমতার কথায়,এটা খুব ছোট ব্যাপার, পাত্তা দেওয়ার দরকার নেই ইগনোর করুন। এ প্রসঙ্গে রাজনৈতিক মহলের মন্তব্য, এই মুহূর্তে তৃণমূলে আর প্রয়োজন নেই মুকুলের। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই মুকুল ইস্যুকে গুরুত্বহীন বলে দেখছেন।
স্মল ম্যাটার, সো উই ডোন্ট কেয়ার! মুকুলের প্রসঙ্গে মমতার মন্তব্য
নিজেস্ব সংবাদদাতা: পদ্ম শিবির ছেড়ে ঘাসফুলে ফিরেছিলেন মুকুল রায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ফের ঘাসফুলে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল রায়। এরপর তাঁকে সামনে রেখেই বিধানসভায় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ বিজেপির কাছে যাওয়া থেকে আটকানো হয়। এবার মুকুলকে নিয়ে বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এটা খুব স্মল ম্যাটার, সো উই ডোন্ট কেয়ার । বেটার টু ইগনোর। কে দিল্লি যাবে, না বম্বে যাবে, না পাঞ্জাব যাবে, সেটা একদমই তাঁর নিজস্ব অধিকার । উনি তো এখনও বিজেপিতেই আছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ওঁর ছেলে একটা মিসিং ডায়েরি করেছে । এখন কেউ যদি ডায়েরি করে যে আমার বাবা মিসিং, এজেন্সি ধরে নিয়ে গিয়েছে, তাহলে প্রশাসনের যা কাজ, তদন্ত করে দেখা, সত্যিই মিসিং কি না, তা প্রশাসন দেখছে। সেসব প্রশাসন প্রশাসনের মতো করবে।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ওর ছেলে এফআইআর করেছে । যেখানে তাঁর বাবাকে নিখোঁজ বলে জানিয়েছেন । এমনকি দুজন নাকি কোনও এজেন্সির মাধ্যমে নিয়ে গিয়েছে । তবে বিজেপি কি না তা বলতে পারব না। মমতার কথায়,এটা খুব ছোট ব্যাপার, পাত্তা দেওয়ার দরকার নেই ইগনোর করুন। এ প্রসঙ্গে রাজনৈতিক মহলের মন্তব্য, এই মুহূর্তে তৃণমূলে আর প্রয়োজন নেই মুকুলের। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই মুকুল ইস্যুকে গুরুত্বহীন বলে দেখছেন।
Share this: