অযোধ্যার রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত প্রয়াত

দুবেলা, রিয়া বিশ্বাসঃ অযোধ্যার শ্রী রাম জন্মভূমির মন্দিরে প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাস প্রয়াত হলেন। বুধবার লখনৌয়ের সঞ্জয় গান্ধী পোষ্ট গ্রাজুয়েট ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সস হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি। গত রবিবার থেকেই চিকিৎসাধিণ ছিলেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর ব্রেন স্টোকে আক্রান্ত হওয়ার পর তাকে SGPGI তে ভর্তি করা হয়। আরও পড়ুনঃবন দপ্তরের তৎপরতায় খাঁচাবন্দি চিতা সেখানে নিউরোলজি ওয়ার্ডের এইচডিইউ তে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। জানা গেছে তাঁর ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি পরলোকে গমন করলেন। বৃহস্পতিবার অযোধ্যায় সরযু নদীর ধারে পুরোহিত সত্যেন্দ্র দাসের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। আপাতত…

আপনার মৃত্যুর সময় ও কারণ জানিয়ে দেবে AI

দুবেলা, রিয়া বিশ্বাসঃ প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উন্নতির ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এবার সেই প্রযুক্তির ব্যবহারেই তৈরি হয়েছে ‘ডেথ ক্লক’, এটি একটি অনলাইন টুল যা ব্যবহারকারীদের ব্যাক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে,মৃত্যুর সম্ভাব্য সময় ও কারণ অনুমান করতে সক্ষম বলে দাবি করছে।এমনকি বসবাসের দেশও এই গণনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইতিমধ্যেই ‘ডেথ ক্লক’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ভিত্তিক অনলাইন টুল আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে। ‘ডেথ ক্লক’ ব্যবহারকারীর বয়স, লিঙ্গ, ওজন, উচ্চতা, ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস, জীবনযাত্রার ধরন এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিবেচনা করে অনুমান নির্ধারণ করে। যদিও এটি…

মহাকুম্ভ থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৭ পুণ্যার্থীর

দুবেলা, রিয়া বিশ্বাসঃ উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত মহাকুম্ভ মেলা থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে পরে মৃত্যু হল সাত পূর্ণাথীর। মঙ্গল বার ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ভোপালে। পুলিশ সূত্রে খবর মৃতরা সবাই অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা। জানা গেছে একটি ট্রাবেলারে করে ২৫ জন পূর্ণথী অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে মহাকুম্ভর মেলায় গিয়েছিলো। প্রয়াগরাজে পূর্ণ স্নানের পর মঙ্গলবার ভোরবেলা ফিরছিলেন ওই পূর্ণথীরা। আরও পড়ুনঃআধুনিকতার দ্বন্দ্ব ও সত্যজিতের সিনেমা ফেরার পথে মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে শিহোরার কাছে মোহলা ব্রিজে হটাৎ উল্টো দিক থেকে আসা সিমেন্ট ভর্তি ট্রাক এসে সজোরে ধাক্কা মারে ওই পূর্ণথীদের ট্রাবেলারে ও একটি চারচাকা গাড়িতে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার ফলে…

বন দপ্তরের তৎপরতায় খাঁচাবন্দি চিতা

দুবেলা, রিয়া বিশ্বাসঃ আলিপুরদুয়ার জেলার কালচিনির চুয়াপড়া চা বাগানে ২৮ নম্বর সেকশনে বন বিভাগের কর্মীরা সফলভাবে আটক করল একটি চিতাবাঘকে। জানা গেছে কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় চিতাবাঘের গতিবিধি লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। যা এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছিল। চা বাগানের শ্রমিকরা দিনের বেলাতেও চিতার উপস্থিতি অনুভব করেছিল। আতঙ্কিত হয়ে তারা বন দপ্তরে খবর দেন। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে বিদায়ের পথে শীত ! বন দপ্তরের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পর্যবেক্ষণ করে এবং চিতাবাঘটিকে ধরার জন্য একটি খাঁচা পেতে রাখে। কয়েকদিনের মধ্যে চিতা বাঘটি খাঁচায় বন্দি হয়। বাঘটিকে আটক করার সময় বন কর্মীরদের মধ্যে একজনের…

রাজ্যে বিদায়ের পথে শীত !

দুবেলা, রিয়া বিশ্বাসঃ এবারে শীতের তেমন আমেজ অনুভব করা গেল না বললেই চলে। কনকনে ঠান্ডা হাওয়া গা কাঁপা শীত তেমন কোনো কিছুরই পূর্বাভাস নেই আবহাওয়া দপ্তরের থেকে। তবে যেটুকু শীত পড়েছে এক ধাক্কায় কমে গিয়ে অনেকটাই বেড়েছে তাপমাত্রা। আবহাওয়া দেখে অনুমান করা যায়, দক্ষিণবঙ্গ থেকে শীত এবার তাড়াতাড়ি বিদায় নেবে এটাই বোঝা যাচ্ছে। আজ মঙ্গলবার সকালের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ছিল ২২. ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৪. ৮ ডিগ্রি বেশি। গতকাল অর্থাৎ সোমবার তাপমাত্রা ছিল ২৯. ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ০.৫ ডিগ্রি বেশি। আজ শহরের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা থাকতে পারে…

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে উর্দু ও আরবিতে সংকেত!

দুবেলা, রিয়া বিশ্বাসঃ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় সম্প্রতি সন্দেহজনক রেডিও সংকেত ধরা পড়েছে, যা উর্দু, আরবি এবং বাংলাদেশি উচ্চারণের বাংলায় সাংকেতিক ভাষায় সম্প্রচারিত হচ্ছে। এই সংকেতগুলি প্রথম ধরা পড়ে গত ডিসেম্বর থেকে, বিশেষ করে মধ্যরাত ১টা থেকে ৩টার মধ্যে। হ্যাম রেডিও অপারেটররা জানিয়েছেন, সংকেতগুলির ভাষা ও শৈলী অত্যন্ত সন্দেহজনক এবং এসব বার্তা আদান-প্রদান হওয়ার পরপরই সম্প্রচারকারীরা নীরব হয়ে যাচ্ছেন। সংকেতগুলোর প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এগুলো কোনো বিশেষ সংগঠনের কোড ভাষা হতে পারে, যা গোপন কার্যকলাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।মূলত, এই সংকেত ধরা পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট, বনগাঁ এবং দক্ষিণ…

বাংলার মেয়ে অভায়ার বিচার না পাওয়ার ১৮০ দিন!

দুবেলা, রিয়া বিশ্বাসঃ  ৯ অগাস্ট কলকাতার আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩১ বছর বয়সী শিক্ষণবিশ চিকিৎসক ধর্ষন ও হত্যার শিকার হন। প্রয়াত চিকিৎসক অভয়ার জন্মদিনে তার বাবা,মা, পরিবার, ও শুভাকাঙ্খীরা সারাদিন প্রতিবাদ মিছিল ও বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। শোকাহত বাবা, মা মেয়ের জন্মদিনে ভীষণ ভাবেই ভেঙে পড়েছেন, তবে ন্যায় বিচার পাবার জন্য লড়াই করে যাবেন। মেয়ের স্মৃতি রক্ষার জন্য জন্মদিন উপলক্ষে ৯ই ফেব্রুয়ারি সকালে সোদপুর নাটাগর এলাকায় অভায়া ক্লিনিক নামে একটি বিনামূল্যে স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়, সেখানে দরিদ্র ও আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পরা মানুষদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা…

ফের অগ্নিকাণ্ড মহাকুম্ভ মেলায়

দুবেলা, এ ডিঃ  ২০২৫ সালে উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত মহাকুম্ভ মেলায় আবারও অগ্নিকান্ডের দুর্গটনার মধ্যে পড়তে হল একাধিক মানুষকে। মেলার প্রথম দিন থেকে এখন প্রযন্ত প্রায় ৩০ কোটিরো বেশি পুণ্যার্থী ত্রিবেণী সঙ্গমে এসে স্নান করেছেন। এই বিপুল জনসমাগমের কারণে একাধিক দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। যা প্রশাসনের নিরাপত্তার ওপর প্রশ্ন তুলেছে। কখনো পদপিষ্টের ঘটনা, কখনো বেলুন বিস্ফোরণ, কখনো অগ্নিকান্ড। https://www.facebook.com/rajnews.photo আবারও মহাকুম্ভ এর মেলায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলেই খবর। আগুনে কয়েকটি তাঁবু সম্পূর্ণ পুরে গেছে বলে জানা গেছে। তবে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা যাচ্ছে শর্ট সাৰ্কিটের…

পুজোর প্রসাদেই বিপদ! খাদ্যে বিষক্রিয়ার অসুস্থ ২৫০ জন

দুবেলা, এ ডিঃ পুজোর প্রসাদ ভক্তি করে খেতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লো আড়াইশোর বেশি মানুষ। এমনই বিপত্তি ঘটলো ৬ ফেব্রুয়ারী মহারাষ্টের একটি গ্রামীণ এলাকায়। পুজোর মেলায় প্রসাদ হিসাবে আয়োজন করা হয়েছিল ক্ষীর। যা খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই মেলায় আসা একাধিক মানুষ। অসুস্থদের মধ্যে অনেককেই দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যথাযোগ্য চিকিৎসা শুরু হয়েছে। কেন এই রকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হল মেলা প্রাঙ্গনে?  প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রসাদ হিসাবে দেওয়া ক্ষীরটি নষ্ট হয়েছিল, যা খাদ্যে বিষক্রিযার কারণ হতে পারে। এই ক্ষীর খেয়েই মেলায় আসা মানুষেদের এমন পরিস্থিতি,বলেই অনুমান করা…

সরস্বতী পুজোর আগে কুল খেলে কি দেবী সত্যিই ক্ষুব্দ হন?

দুবেলা, এ ডিঃ সরস্বতী পুজোর আগে কুল খাওয়া উচিত না। এতে নাকি দেবী সরস্বতী ক্ষুব্দ হন। আর পরীক্ষায় নাম্বারও বেশ কমে যায়। আদেও এর সত্যতা কতটা, পৌরাণিক মতে বলতে গেলে, একসময় বৌদ্রিক আশ্রমে তপস্যা করছিলেন ব্যাসদেব মনি। তিনি যেখানে বসে তপস্যা করছিলেন। তাঁর পাশে একটি কুলবীজ রেখে শর্ত দেওয়া হয়েছ। যেদিন এই কুলবীজ অঙ্কুরিত হয়ে চারাগাছ হবে এবং এই গাছ বড়ো হয়ে নতুন কুল হবে।  অবশেষে সেই কুল পেঁকে ব্যাসদেবের মাথায় পরবে, সেদিনই তাঁর তপস্যা সম্পন্ন হবে। আর দেবী সরস্বতী ও তুষ্ট হবে। এই শর্তে ব্যাসদেব মনি কোনো দ্বিধা না…