বাংলার মেয়ে অভায়ার বিচার না পাওয়ার ১৮০ দিন!

দুবেলা, রিয়া বিশ্বাসঃ  ৯ অগাস্ট কলকাতার আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩১ বছর বয়সী শিক্ষণবিশ চিকিৎসক ধর্ষন ও হত্যার শিকার হন। প্রয়াত চিকিৎসক অভয়ার জন্মদিনে তার বাবা,মা, পরিবার, ও শুভাকাঙ্খীরা সারাদিন প্রতিবাদ মিছিল ও বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। শোকাহত বাবা, মা মেয়ের জন্মদিনে ভীষণ ভাবেই ভেঙে পড়েছেন, তবে ন্যায় বিচার পাবার জন্য লড়াই করে যাবেন। মেয়ের স্মৃতি রক্ষার জন্য জন্মদিন উপলক্ষে ৯ই ফেব্রুয়ারি সকালে সোদপুর নাটাগর এলাকায় অভায়া ক্লিনিক নামে একটি বিনামূল্যে স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়, সেখানে দরিদ্র ও আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পরা মানুষদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা…

ফের অগ্নিকাণ্ড মহাকুম্ভ মেলায়

দুবেলা, এ ডিঃ  ২০২৫ সালে উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত মহাকুম্ভ মেলায় আবারও অগ্নিকান্ডের দুর্গটনার মধ্যে পড়তে হল একাধিক মানুষকে। মেলার প্রথম দিন থেকে এখন প্রযন্ত প্রায় ৩০ কোটিরো বেশি পুণ্যার্থী ত্রিবেণী সঙ্গমে এসে স্নান করেছেন। এই বিপুল জনসমাগমের কারণে একাধিক দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। যা প্রশাসনের নিরাপত্তার ওপর প্রশ্ন তুলেছে। কখনো পদপিষ্টের ঘটনা, কখনো বেলুন বিস্ফোরণ, কখনো অগ্নিকান্ড। https://www.facebook.com/rajnews.photo আবারও মহাকুম্ভ এর মেলায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলেই খবর। আগুনে কয়েকটি তাঁবু সম্পূর্ণ পুরে গেছে বলে জানা গেছে। তবে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা যাচ্ছে শর্ট সাৰ্কিটের…

পুজোর প্রসাদেই বিপদ! খাদ্যে বিষক্রিয়ার অসুস্থ ২৫০ জন

দুবেলা, এ ডিঃ পুজোর প্রসাদ ভক্তি করে খেতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লো আড়াইশোর বেশি মানুষ। এমনই বিপত্তি ঘটলো ৬ ফেব্রুয়ারী মহারাষ্টের একটি গ্রামীণ এলাকায়। পুজোর মেলায় প্রসাদ হিসাবে আয়োজন করা হয়েছিল ক্ষীর। যা খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই মেলায় আসা একাধিক মানুষ। অসুস্থদের মধ্যে অনেককেই দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যথাযোগ্য চিকিৎসা শুরু হয়েছে। কেন এই রকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হল মেলা প্রাঙ্গনে?  প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রসাদ হিসাবে দেওয়া ক্ষীরটি নষ্ট হয়েছিল, যা খাদ্যে বিষক্রিযার কারণ হতে পারে। এই ক্ষীর খেয়েই মেলায় আসা মানুষেদের এমন পরিস্থিতি,বলেই অনুমান করা…

সরস্বতী পুজোর আগে কুল খেলে কি দেবী সত্যিই ক্ষুব্দ হন?

দুবেলা, এ ডিঃ সরস্বতী পুজোর আগে কুল খাওয়া উচিত না। এতে নাকি দেবী সরস্বতী ক্ষুব্দ হন। আর পরীক্ষায় নাম্বারও বেশ কমে যায়। আদেও এর সত্যতা কতটা, পৌরাণিক মতে বলতে গেলে, একসময় বৌদ্রিক আশ্রমে তপস্যা করছিলেন ব্যাসদেব মনি। তিনি যেখানে বসে তপস্যা করছিলেন। তাঁর পাশে একটি কুলবীজ রেখে শর্ত দেওয়া হয়েছ। যেদিন এই কুলবীজ অঙ্কুরিত হয়ে চারাগাছ হবে এবং এই গাছ বড়ো হয়ে নতুন কুল হবে।  অবশেষে সেই কুল পেঁকে ব্যাসদেবের মাথায় পরবে, সেদিনই তাঁর তপস্যা সম্পন্ন হবে। আর দেবী সরস্বতী ও তুষ্ট হবে। এই শর্তে ব্যাসদেব মনি কোনো দ্বিধা না…